নকলায় করোনার টিকা গ্রহণকারীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া না থাকায়

নকলায় করোনার টিকা গ্রহণকারীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া না থাকায়

রেজাউল হাসান সাফিত,নকলা,শেরপুর প্রতিনিধি:৭ ফেব্রুয়ারি রবিবার সকাল ১০ টায় মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশব্যাপী একযুগে করোনা ভাইরাস (কোভিট-১৯) এর প্রতিষেধক টিকাদান উদ্বোধন করার সাথে সাথে দেশের প্রতিটি বিভাগ,জেলা ও উপজেলার ন্যায় নকলা উপজেলা স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সে একযোগে কোভিট-১৯ ভ্যাক্সিনের কার্যক্রম শুরু হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় জেলার নকলা উপজেলাতে সুষ্ঠ ভাবে টিকাদান কর্মসূচি চলছে। করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর টিকা নেওয়ার পরে কারও শরীরে ক্ষতিকর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা না দেওয়ায় প্রতিদিন তুলনামূলক হারে বেড়েই যাচ্ছে টিকা নেওয়ার আগ্রহীদের অনলাইন রেজিষ্ট্রেশন ও টিকা গ্রহণকারীর সংখ্যা এমনটাই সরেজমিনে দেখা গেছে এবং সংশ্লিষ্ঠ সূত্রেও এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যান অফিসার সৈয়দা বেগম লবিবা জানান, কোভিট-১৯ এর প্রতিষেধক টিকাদান কর্মসূচির আওতায় প্রথম দিন ৭ ফেব্রুয়ারি রবিবার অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশনকৃত ১০ জনকে কোভিড-১৯ এর টিকা প্রয়োগ করা হয়। দ্বিতীয় দিন ৮ ফেব্রুয়ারি সোমবার তা ৩ গুণ বেড়ে টিকা গ্রহন করেন ৩০ জন অতপঃর আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি বুধবার দুপুর ২ ঘটিকা পর্যন্ত কোভিড-১৯ এর প্রতিষেধক টিকা গ্রহন কারীর হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২০ জন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা জানান,অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশন ছাড়া কাউকে এই টিকা দেওয়া হচ্ছেনা বা হবেনা।
তিনি আরও জানান,
এ টিকাদান কর্মসূচি সফলতার সহিত সম্পন্ন করতে উপজেলার ৪৮ জন স্বেচ্ছাসেবী কর্মী ও ২৪ জন টীকাদান কর্মীকে এরই মধ্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া পুরুষ ও মহিলাদের জন্য আলাদা আলাদা বুথ, বেড, অবজারভেশন রুমসহ প্রয়োজনীয় সব কিছু প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

১৭ ফেব্রুয়ারি বুধবার নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিকাদান কেন্দ্রে টিকা নিতে আসা নকলা ইয়ুথ রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি একই সাথে সময় সংবাদ বিডি. কম এর নকলা উপজেলা প্রতিনিধি
মোঃ নূর হোসেন, মেডিমেট ফার্মাসিউটিক্যালস্ লিঃ
ফুলপুর জোনের এরিয়া ম্যানেজার নকলার বাসিন্দা এনামুল হক, নকলা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রের পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা লুৎফুন নাহার এবং রক্তসৈনিক নকলার প্রচার সম্পাদক শীমানুর রহমান সুখন সহ অনেকের সাথে কথা হলে তারা জানান,৭ ফেব্রুয়ারি থেকে টিকা দান ও গ্রহন শুরু হয়ে আজ ১১ম দিন চলছে। এখন পর্যন্ত কোন এলাকার কারও কাছে কোন প্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সংবাদ পাওয়া যায়নি।তাই নিরাপদ মনে হওয়ায় তারা আজকে প্রথম ডোজের টিকা নিতে এসেছেন।

শেরপুর সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে যেসকল ভ্যাক্সিন এসেছে চলতি বছরের ১৬ এপ্রিলে সেসকল ভ্যাক্সিনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হবে। শেরপুর জেলার জন্য ৩৬ হাজার ডোজ করোনা ভাইরাস (কোভিট-১৯) এর ভ্যাক্সিন এসেছে। যদিও জেলায় প্রায় ৪০ হাজার ডোজের চাহিদা রয়েছে। উল্লেখ্য,এরই মধ্যে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তরফ থেকে ডাক্তার, ৩৬ জন নার্স ও ৭২ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.