৬৫ বছরের বৃদ্ধের ধর্ষণে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা

৬৫ বছরের বৃদ্ধের ধর্ষণে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা

স্টাফ রিপোর্টার:যশোরের ঝিকরগাছায় ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে এক কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী কিশোরী এখন ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

বিষয়টি জানার পর বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে ঝিকরগাছা থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে রাতেই অভিযুক্ত নূর ইসলাম গাজীকে (৬৫) গ্রেফতার করে পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) যশোর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন অভিযুক্ত নূর ইসলাম। তিনি উপজেলার মল্লিকপুর এলাকার বাসিন্দা।

ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রাজ্জাক জানান, মেয়েটির বাবা নূর ইসলাম গাজীকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। মামলার একমাত্র আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ভিকটিমকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত মাস আগে নূর ইসলাম গাজী ওই কিশোরীকে ফুঁসলিয়ে বাড়ির পাশে একটি জঙ্গলে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনা কাউকে না জানানোর জন্য ভয়ভীতি দেখায়। এর পর প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকার মেয়েটিকে ধর্ষণ করে নূর ইসলাম। একপর্যায়ে মেয়েটির শারীরিক গঠনে পরিবর্তন আসলে সে তার বাবা-মাকে সব খুলে বলে। মেয়ের মুখে ঘটনা শুনে ওইদিন রাতেই ভুক্তভোগীর বাবা থানায় মামলা করেন। বছরের বৃদ্ধের ধর্ষণে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা

যশোরের ঝিকরগাছায় ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে এক কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী কিশোরী এখন ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

বিষয়টি জানার পর বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে ঝিকরগাছা থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে রাতেই অভিযুক্ত নূর ইসলাম গাজীকে (৬৫) গ্রেফতার করে পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) যশোর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন অভিযুক্ত নূর ইসলাম। তিনি উপজেলার মল্লিকপুর এলাকার বাসিন্দা।

ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রাজ্জাক জানান, মেয়েটির বাবা নূর ইসলাম গাজীকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। মামলার একমাত্র আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ভিকটিমকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত মাস আগে নূর ইসলাম গাজী ওই কিশোরীকে ফুঁসলিয়ে বাড়ির পাশে একটি জঙ্গলে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনা কাউকে না জানানোর জন্য ভয়ভীতি দেখায়। এর পর প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকার মেয়েটিকে ধর্ষণ করে নূর ইসলাম। একপর্যায়ে মেয়েটির শারীরিক গঠনে পরিবর্তন আসলে সে তার বাবা-মাকে সব খুলে বলে। মেয়ের মুখে ঘটনা শুনে ওইদিন রাতেই ভুক্তভোগীর বাবা থানায় মামলা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!