এড. চন্দন পালেরর স্বর্গীয়া মাতার ”মাতৃ স্মৃতি তর্পন” উদ্বোধন

মানিক দত্তঃ শেরপুর জিকে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক দ্বিজেন্দ্র চন্দ্র পাল, যার শেরপুর জুড়ে খ্যাতি পাল স্যার নামে। তিনি যেমন নামকরা শিক্ষক ছিলেন, তেমনি বই লেখক হিসেবে তাঁর আছে সমখ্যাতি। তার লেখা অংক বই সহ অনেক বই প্রকাশিত হয়েছে যা তখনকার শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় সহায়ক হয়েছে। তারই সহধর্মিনী নমিতা রাণী পাল। নমিতা রাণী পাল বিগত ২০১৪ সালের ২৯আগষ্ট মৃত্যুবরণ করেন। রত্নগর্ভা নমিতা রাণী পালের গর্ভে যে কয়জন সন্তান জন্ম নেন তাদের মধ্যে সবার বড় সন্তান
শেরপুর জেলার রাজনৈতিক, সামাজিক অঙ্গনের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট চন্দন কুমার পাল পিপি। দ্বিজেন্দ্র চন্দ্র পাল এবং নমিতা রাণী পালের ঘরে চন্দন কুমার পাল ছাড়াও জন্ম নেন পঙ্কজ কুমার পাল, শক্তিপদ পাল, মানসী রাণী পাল, বিদ্যুৎ কুমার পাল, তাপস কুমার পাল ও বিপ্লব কুমার পাল। তাদের মধ্যে কেহ আইনজিবী, কেহ সরকারী উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আবার কেহ প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। সকলেই সমাজে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি এবং সু-পরিচিত।
এই সন্তানগনই তাদের মাতার স্মৃতি রক্ষার্থে এবং সম্মানার্থে “মাতৃ স্মৃতি তর্পন” নামে শেরপুর মহাশ্মশানে যেখানে নমিতা রাণী পালকে দাহ করা হয়, সেখানে একটি মঠ নির্মাণ করেছেন। সেই মঠ ২৭মার্চ শনিবার দুপুরে উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন স্বর্গীয়া নমিতা রাণী পালের স্বামী এবং চন্দন কুমার পালদের পিতা দ্বিজেন্দ্র চন্দ্র পাল। দ্বিজেন্দ্র চন্দ্র পালের বয়স ৯৬ বৎসর। বার্ধক্যজনিত কারণে চলাফেরা কম করতে পারলেও মোটামুটি সুস্থ্য আছেন। পূঁজা-অর্চনা এবং প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!