ক্রেতাদের মুরগী কেঁটে আয়ে’র টাকায় চলে কিশোর আকিজে’র পড়াশোনা

ক্রেতাদের মুরগী কেঁটে আয়ে’র টাকায় চলে কিশোর আকিজে’র পড়াশোনা

মানিক দত্ত: শেরপুর পৌর শহরের দিগারপাড় মহল্লায় দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহন করা কিশোর আকিজ। উওরা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে কেবল সপ্তম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত আকিজ। পিতার আয়ে’র টাকায় সংসার চালানো বড়ই কঠিন হওয়ায় নিজেই কর্মকরে পড়াশোনার খরচের পাশাপাশি সংসারে’র কাজে যোগান দিচ্ছেন। ইচ্ছে ছিলো উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া। ভালো একটা চাকরি করে বাবা মা’র কষ্টের সংসারটাকে উজ্জল করবে। এ করোনা মহামারি ও লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়েন আকিজের পরিবার। সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে আকিজের পরিবারের। এদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ায় এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের কষ্ট দূর্ধষার কথা ভেবে বাধ্য হয়ে কাজে নামতে হয়েছে কিশোর আকিজের। তাও আবার শেরপুর শহরের তেরাবাজার মুরগী হাঁটিতে ক্রেতাদের মুরগী কাঁটেন কিশোর আকিজ। ধারনা ছিল হয়তো মুরগী বিক্রেতা মজুরি দিয়ে থাকেন কিন্তু তা নয়। মুরগী কাঁটার পর ফেলে দেয়া যে অংশগুলো থাকে সেটা বিক্রি করে যে অর্থ পায় সেটাই আকিজে’র আয়। আকিজে’র কথামতো পা ১শত টাকা এবং অন্যান্য অংশগুলো ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে থাকেন। এতে কিশোর আকিজে’র দৈনিক ৩শত থেকে ৭শত টাকা পর্যন্ত আয় হয়।
কাজিজ সত্যবয়ানকে জানান, স্কুল খোলা থাকা কালীন আয় খুবই কম হয়। কারন স্কুল শেষ করে একবেলা কাজ করতে হয়। তাতেও যে আয় হয় নিজের খরচ শেষে মা’য়ের কাছে কিছু দিতে পারি।
শত কষ্টের পরও কিশোর আকিজ তার অভিষ্ট লক্ষে পৌঁছানোর জন্য চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.