কুমারখালীতে নির্যাতনকারীর শাস্তি ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

কুমারখালীতে নির্যাতনকারীর শাস্তি ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ভূমিদস্যু, সুদখোর, জুলুম ও নির্যাতনকারীর শাস্তি ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। শনিবার বিকেল সাড়ে ৫ টায় পান্টি – লালনবাজার সড়কস্থ ভালুকা ফাজিল মাদ্রাসার সম্মুখ সড়কে দাড়িয়ে মানববন্ধন করেন তারা।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মুরাদ হোসেন। তিনি যদুবয়রা ইউনিয়ের লক্ষীপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন বে-সরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা। এছাড়াও তিনি বর্তমানে কুমারখালী থানায় এক ভুক্তভোগীর দায়ের করা মামলায় কুষ্টিয়া কারাগারে আছেন।

মানববন্ধন ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর বলেন, তাকে তিন লাখ টাকা দেওয়ার কথা গ্রামীণ ব্যাংকে নিয়ে চেকে সই (স্বাক্ষর) করিয়ে নেয়।কিন্তু পরে আরো কোন টাকা দেয়নি মুরাদ। এই টাকার জেরে জোরপূর্বক তার দুই বিঘা জমি দখল করে নিয়েছে সে। তিনি আরো বলেন, এবিষয়ে কোর্টে মামলা চলমান রয়েছে।

লক্ষীপুর গ্রামের মাহফুজ বলেন, মুরাদ মানুষের জমিজায়গা দখল করে বড়বড় বাড়ি ও মার্কেট করছে। ধারের টাকা দিয়ে পরে চড়া সুদ নিয়ে মানুষকে সর্বশান্ত করেছে। মানুষের বাড়ির পথ আটকে রেখেছে। একই গ্রামের আনসার আলীর ছেলে আলম বলেন, তার ভাই আরঙ্গ পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়েছিল সুদে। বিনিময়ে সিমেন্ট ও তিনলাখ টাকা দিয়েও পঞ্চাশ হাজার টাকা শোধ হয়নি। পরে ফাকা চেকে স্বাক্ষর করিয়ে মামলা দায়ের করে মুরাদ। তিনি আরো বলেন, তার ভাই সহ অসংখ্য মানুষ মুরাদের প্রভাবে ভিটাবাড়ি, জমিজায়গা হারিয়ে এলাকা ছাড়া হয়েছে।

মানববন্ধনে অন্যান্য বক্তারা বলেন, মুরাদ একজন নামকরা সুদে ব্যবসায়ী, ভূমিদস্যু, জুলুমকারী। এলাকাবাসী তার অত্যাচে অতিষ্ঠ। আমরা এলাকার শান্তির রক্ষার্থে মুরাদের শাস্তি ও বিচারের দাবি জানায়।

মুরাদ হোসেন কারাগারে থাকায় তার বড় ভাই রফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। মূলত পূর্বশত্রুতার জেরে এলাকাবাসী এমন করছে। তিনি আরো বলেন, তার ভাই একজন গ্রামীণ ব্যাংক কর্মকর্তা। সে বর্তমানে কারাগারে আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.