শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে স্ত্রীর অধিকার চায় কামরুন্নাহার-সত্যবয়ান

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে স্ত্রীর অধিকার চায় কামরুন্নাহার-সত্যবয়ান

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক ঝিনাইগাতী শেরপুর প্রতিনিধি।শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার পানবর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক রফিকুল ইসলাম গত প্রায় ৭ বছর পূর্বে দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের কামরুন্নাহার (৩১) কে ইসলামি শরিহা মোতাবেক মুন্সি দ্বারায় বিবাহ পড়াইয়া শারীরিক সম্পর্ক চলিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষক রফিকুল ইসলাম। কামরুন্নাহারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক রফিকুল ইসলাম এর ছোট বোন মোছাঃ আলেয়া বেগম ঢাকায় গার্মেন্টেসে চাকুরী করত। ওই গার্মেন্টসে দিনাজপুরের মেয়ে কামরুন্নাহার ও চাকুরীরত ছিল। ওই সুবাদে শিক্ষক রফিকুল ইসলাম ঢাকায় তার বোনের নিকট যাতায়াত কালে কামরুন্নাহারের সাথে পরিচয় ঘটে। ওই পরিচয়ে শিক্ষক রফিকুল ইসলাম মাঝে মধ্যেই কামরুন্নাহারের বাসায় গিয়ে দেখা সাক্ষাৎ করে। ওই সময় শিক্ষক রফিকুল ইসলাম তার স্ত্রী সন্তানের বিষয় গোপন রাখিয়া প্রতারণার আশ্রয় গ্রহণ করিয়া কামরুন্নাহারের সাথে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করে এবং বিবাহ করার কথা বলিয়া শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। এতে কামরুন্নাহার বিবাহের চাপ দিলে ঢাকা হইতে ময়মনসিংহ সদরে শিক্ষক রফিকুলের এক আত্মীয়ের বাসায় নিয়ে আসে এবং সেখানে একজন মৌলভী দ্বারায় বিবাহ পড়াইয়া এক রাত্রি থাকিয়া পরদিন পুনরায় ঢাকায় রাখিয়া আসে। এ ভাবে শিক্ষক রফিকুল ইসলাম দীর্ঘ সাত বৎসর স্বামী-স্ত্রী হিসেবে ঘর সংসার করিতে থাকে। কামরুন্নাহার এ পর্যন্ত গার্মেন্টেসে চাকুরী করে বেতন ভাতা পেয়েছেন প্রায় অধিকাংশ টাকাই রফিকুল নিয়ে নিত এবং রফিকুলকে বার বার বিবাহ রেজিষ্টার করিতে বলিয়ে সে নানা রকম তালবাহনা ও গরিমসি করিয়া সময় ক্ষেপন করে আসছে। বেশ কিছুদিন দরে রফিকুল দেখা সাক্ষাৎ বন্ধ করে দেয়। এ অবস্থায় আমি রফিকুলের গ্রামের বাড়ী ঝিনাইগাতীর চকপাড়া গ্রামে এসে জানিতে পাই তার স্ত্রী সন্তান রয়েছে। পরে তাকে বিবাহ রেজিষ্ট্রারের চাপ দিলে রফিকুল আমাকে একটি ভূয়া নোটারী পাবলিক এর এফিডেফিট তৈরি করিয়া এক লক্ষ টাকা মোহরানা লিখিয়া কামরুন্নাহারের হাতে ধরিয়ে দেয়। কামরুন্নাহার বিষয়টি প্রমাণ করার জন্য উকিলের কাছে স্মরণাপূর্ণ হলে জানতে পারে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভূয়া। বর্তমানে ওই প্রতারক শিক্ষক কামরুন্নাহারকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করিয়া খুন করার হুমকি দিয়ে আসছে। এ ব্যাপারে শিক্ষক রফিকুল ইসলামের সহোদর ২ ভাই-বোন আলেয়া বেগম ও তরিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি সত্য। রফিকুল কামরুন্নাহারকে মৌলভী দ্বারা বিবাহ পড়াইয়া দীর্ঘদিন ঘর সংসার করিয়াছে এবং তাহার বেতনের টাকা-পয়সা নিয়েছেন। এ ব্যাপারে আজ ৭ জুন সোমবার কামরুন্নাহার ঝিনাইগাতী থানায় ও ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বিয়ের দাবি জানিয়ে লিখিত অভিযোগ করেছে। গত ৩ জুন/২০২১ ইং থেকে চকপাড়ায় রফিকুলের বাড়িতে অবস্থান করে আসছেন স্বামীর অধিকার চেয়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!