গাইবান্ধায় যে বাড়িতে ছিলেন ত্ব-হা-সত্যবয়ান

গাইবান্ধায় যে বাড়িতে ছিলেন ত্ব-হা-সত্যবয়ান

সত্যবয়ান ডেস্ক: গাইবান্ধা সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের পশ্চিম পেয়ারাপুর গ্রামের বাসিন্দা বন্ধু সিয়াম ইবনে শরীফের বাসায় তিন সঙ্গীসহ আত্মগোপনে ছিলেন আলোচিত ‘ইসলামি বক্তাথ ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান। সাতদিন তারা সেখানে আত্মগোপনে থাকেন। সেখানে সাতদিন অবস্থানের পর শুক্রবার সকালে স্বেচ্ছায় তারা রংপুরে চলে যান।

সিয়ামের মা নিশাদ নাহার বলেন, ত্ব-হা ও তার সঙ্গীরা সাতদিন এই বাড়িতে থাকলেও আশপাশের কেউ জানত না। এমনকি তার ছেলে সিয়ামও বিষয়টি জানতেন না বলেও দাবি করেন তিনি। 

ত্ব-হাথর বন্ধু সিয়ামের মা নিশাদ নাহার বলেন, ‘ত্ব-হা এখানে এসে বলে, আমাকে দু’জন লোক ফলো করছে, আমরা এখানে কিছুদিন থাকব। রংপুরে এসএসসি পর্যন্ত একসঙ্গে পড়ার কারণে আমার ছেলের সঙ্গে তার পরিচয়। এসএসসি পাশের পর তারা দু’জন দুই কলেজে পড়লেও একসঙ্গে চলাফেরা করত। তারপর ইউনিভার্সিটিতে পড়াকালীন দু’জন একসঙ্গেই চলত। এদিকে আমরা গাইবান্ধায় চলে আসি। এখানে আসার পর আমার ছেলের চাকরি হয়। চাকরি সূত্রে সে এখন রংপুরে থাকে। আর ত্ব-হা আমার বাসায় এর আগে অনেকবার এসেছে।থ

চারদিকে তাদের নিয়ে তোলপাড়, তারপরও আপনারা কেন জানেননি, এমন প্রশ্নের জবাবে নিশাদ নাহার বলেন, আসলে এটা আমি ঠিকভাবে জানতে পারিনি কারণ আমার বাসার টিভিটা নষ্ট। আর আত্মীয়স্বজনরা আমাকে ফোনে বলেছে ওতো নিখোঁজ। তারাও বলেছে না জানাতে। আমার ছেলেরও নিষেধ ছিল। কিন্তু পরে আমি ত্ব-হাকে বলেছি, যেহেতু মিডিয়ায় তোমাদের নিয়ে লেখালেখি হচ্ছে, তোমরা কিন্তু এবার যেতে পার। তারপর তারা চলে গেছে।

আবু ত্ব-হাথর সঙ্গে আরও যারা আত্মগোপনে ছিলেন তারা হলেন আব্দুল মুকিত, মোহাম্মদ ফিরোজ ও গাড়িচালক আমির উদ্দিন ফয়েজ। জানা গেছে, আদনানের বিভিন্ন ইসলামিক অনুষ্ঠান ও মাহফিলে তারা একসঙ্গেই থাকতেন। এই তিনজনের সঙ্গে ত্ব-হা’র সখ্যতা ছিল।

উল্লেখ্য, ১০ জুন রংপুরে ওয়াজ মাহফিল শেষে ঢাকার বাসায় ফেরার পথে আবু ত্ব-হাসহ চারজন নিখোঁজ হন বলে অভিযোগ ছিল। আবু ত্ব-হাথর পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল, ঢাকার গাবতলী থেকে তারা নিখোঁজ হন। আবু ত্ব-হাথর সঙ্গে নিখোঁজ হয়েছিলেন আরও তিন জন। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে তাদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। 

Leave a Reply

Your email address will not be published.