শেরপুরে তেলের বাজারে অস্থিরতা, সবজির বাজার কমলেও বেড়েছে পেঁয়াজের দাম

শেরপুরে তেলের বাজারে অস্থিরতা, সবজির বাজার কমলেও বেড়েছে পেঁয়াজের দাম

শেরপুরসহ সারা দেশে চলছে সাতদিনের ‘বিধি-নিষেধ‘কঠোর লকডাউন। ৩য় দিনের লকডাউনে প্রভাব পড়েছে শেরপুরের কাঁচাবাজার গুলোতে।

গত ১ সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে মুরগি ও পেঁয়াজের। আর কমতির দিকে সবজির বাজার। অন্যদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য সব পণ্যের দাম।

শেরপুেরর গুরুত্বপূর্ণ নয়ানীবাজার, নবীনগর হাজীরবাজার, খোয়ারপাড়সহ বেশ কিছু কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতারা বলছেন, লকডাউনের কারণে ক্রেতা কম তাই সবজির দাম কমে গেছে। এছাড়াও অনেক সবজি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বিক্রি না হওয়ার ফলে। আমরা চরম দূরবস্থায় রয়েছি।

শনিবার ৩জুলাই সকালে ওইসব বাজার গুরে
এসব তথ্য পাওয়া যায়।
এসব বাজারে বেশিরভাগ সবজির কেজিতে দাম কমেছে ৫ টাকা থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত। পেঁয়াজের দাম ৫ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা।

নয়ানীবাজার কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতা আব্দুল হান্নান মিয়া বলেন, লকডাউনের আগে সবজির দাম বেড়েছিল। কিন্তু লকডাউনের ৩য় দিনে সকালে বৃষ্টি হওয়া ও বাজারে ক্রেতা কম আশায় সবজির দাম কমেছে। এছাড়াও রসুনের কেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, আদার দাম ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। হলুদ ১৬০ টাকা থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তেঁলের দাম বেড়ে হয়েছে ১৪০/১৫০ টাকা, চিনির দাম বেড়ে হয়েছে
৭৫/৮০ টাকা। পল্টি মুরগীর দাম ১২০ টাকা থেকে বেড়ে দাড়িয়েছেন ১৪০/১৫০ টাকা।

এসব বাজারে প্রতিকেজি বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকা, মিনিকেট ৬০ থেকে ৬২ টাকা, নাজিরশাইল ৬২ থেকে ৬৫ টাকা, মোটা চাল ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা, পোলাওয়ের চাল ৯০ থেকে ১০০ টাকা। 

কাঁচাবাজারের মুরগি বিক্রেতা মোহাম্মদ আলী বলেন, পোল্ট্রি ফার্মের খামারিরা সিন্ডিকেট করে বাজারে মুরগির দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। এছাড়াও লকডাউনের আগে ক্রেতাদের অতিরিক্ত কেনাকাটায় বেড়েছে মুরগির দাম।

এসব বাজারে অপরিবর্তিত আছে গরু ও খাসির মাংস, মসলাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম। বাজারে প্রতিকেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, বকরির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.