সংসার জীবনে সুখী হতে চাইলে-সত্যবয়ান

সংসার জীবনে সুখী হতে চাইলে-সত্যবয়ান

সংসার জীবন সামাজিকতার এক অপরিহার্য ও অবিচ্ছেদ্য অংশ।সংসার মানেই জীবনের এক গভীর অর্থবহ বিষয়।আর এই সংসার জীবনে সুখে থাকতে চাইলে খেয়াল রাখতে হবে কয়েকটি বিষয়।চলুন জেনে নেওয়া যাক বিষয়গুলো।

প্রথমত,আবেগ-অনুভূতির সঠিক মূল্যায় করা।
সে আপনাকে কেয়ার করবে, বুঝবে-শুনবে এমন। এমন না যে, সারাদিন ফোনে কথা বলতে হবে। তাহলে তো পুরুষ কোনো কাজে মনোযোগ দিতে পারবে না। আবেগে তো আর পেট ভরে না। আবেগ-অনুভূতি ঠিক থাকলে ৫০০ মাইল দূরে থাকলেও দম্পতির মাঝে ভালোবাসার বন্ধন অটুট থাকে ঠিকই। আর যারা বলেন,লম্বা ডিসটেন্সে থাকলে মায়া-মমতা-ভালোবাসা কমে যায়, সেটা তাদের নিজেদের দোষ। আপনি রেগুলার তার খোজ খবর নেন, তার কথায় গুরুত্ব দেন,ভালোবাসা প্রকাশ করেন-দেখবেন ঠিকই সে পাশে থাকবে। ভালোবাসার দ্বারা মরুভূমিতেও ফুল ফুটানো সম্ভব, আর তো মানুষের মনে বলাই বাহুল্য।
তবে আমরা মানুষ। ভালো-মন্দ থাকবেই।
দয়াকরে, নেগেটিভ উদাহরণ দ্বারা সব কিছুকে খন্ডায়ন করবেননা। ভাত খেলে ভাত পড়বে। সব কিছুর ই ব্যতিক্রম থাকবে।
দ্বিতীয়ত,ধৈর্য্য ধরতে হবে।
সংসারে কখনো রোদ যাবে,কখনো ঝড়-ঝঞ্ঝা আসবে। আপনার স্বামী এক মাসে টাকা পাঠাতে পারেনি,হাতখরচ ঠিক মত দেয়নি,পছন্দের জিনিস কিনে দেয়নি বলে খাওয়া দাওয়া বাদ দিবেন সেটা তো ঠিক না। সে আপনার জন্যই মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ইনকাম করে, আর আপনি নেট কিনে টিকটক দেখবেন সারাদিন তা তো হবেনা,তাই না৷ স্বামীর পরিবার আপনার কাছে আমানত স্বরুপ।
কখনো মনোমালিন্য হলে,ধৈর্য্য ধরেন।আপনি যদি বলেন,আমি শিক্ষিত,স্বাধীন ভাবে চলতে যায়,তাহলে বলতে বাধ্য হব আপনি সুশিক্ষায় শিক্ষিত নন।
“দুর্জন বিদ্বান হলেও পরিত্যাজ্য”
বিষ খেয়ে বিষ হজম করতে হয় সংসার জীবনে।
পারস্পরিক Sacrifice থাকতে হয়, কিছু হলেই পরস্পরকে দোষারোপ করা যাবে না।

সংসার জীবন ততটা কঠিন না,যতটা আমরা মনে করি। আর ততটা সহজ না, যতটা বিয়ের আগে চিন্তা করি।
sacrifice মন-মাইন্ড থাকলে,আর ধৈর্য্য থাকলে আর কিছু লাগেনা।তাই ধৈর্য ধরুন,আন্তরিক থাকুন, হাসি -খুশী থাকুন,জীবন হবে অসম্ভব সুন্দর।

লেখক-
আবু সাঈদ পলাশ,
প্রভাষক(ইংরেজী),
বাংলাদেশ আইডিয়াল কলেজ,ঢাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!