স্কুলে যেতে প্রতিবন্ধকতা, শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন-সত্যবয়ান

স্কুলে যেতে প্রতিবন্ধকতা, শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন-সত্যবয়ান

আবু তোরাব,ত্রিশাল(ময়মনসিংহ)প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের ত্রিশালে নজরুল সেনা স্কুলে প্রবেশের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতার ফলে স্কুলে না গিয়ে ত্রিশাল উপজেলা পরিষদ চত্তরে রাস্তা খুলে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছে।

রবিবার (১০ অক্টোবর) সকালে স্কুলের শিক্ষার্থীরা স্কুলে গিয়ে দেখে স্কুলে প্রবেশের রাস্তা বাউন্ডারি করে দেয়াল তুলে দেওয়া হয়েছে। স্কুলের শিক্ষার্থীরা স্কুলে প্রবেশ করতে না পেরে ত্রিশাল উপজেলা পরিষদ চত্তরে ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচিতে অংশ নেয়। মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা স্কুলের রাস্তা অবমুক্তকরণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মেয়র বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, বেশ কয়েক বছর ধরে যে রাস্তাটি নজরুল সেনা স্কুলের শিক্ষার্থী ও ঐ এলাকার প্রায় ৫০ এর অধিক পরিবার ব্যবহার করতো তা এখন দেয়াল নির্মাণ করায় বন্ধ রয়েছে। এতে করে স্কুলের প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী ও ঐ পরিবার গুলো স্বাভাবিক চলাচলের ক্ষেত্রে বিড়ম্বনায় পড়েছে।

স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী তামিম জানান, রাস্তা বন্ধ করায় আমরা খুব বেকায়দায় পড়েছি। এখন স্কুলের পিছন দিয়ে অনেক কাঁদা মাড়িয়ে স্কুলে আসা-যাওয়া করতে হবে।

নজরুল সেনা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবুল কাশেম জানান, অনেক বছর ধরে যে রাস্তা ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসা-যাওয়া করে সেই রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে একটি পক্ষ। স্কুলের শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয়রা আজ উপজেলা পরিষদে গিয়ে এর প্রতিবাদ জানিয়েছে। আমরা ইউএনও ও মেয়র মহোদয়কে একটি স্মারকলিপিও দিয়েছি।

রাস্তায় দেয়াল তুলে স্কুলে আসা-যাওয়ায় প্রতিবন্ধকতা তৈরির বিষয়ে জমির মালিক রফিকুল ইসলাম বিএসসি জানান, আমার ক্রয়কৃত জমিতে আমি দেয়াল তুলেছি। আগে নজরুল সেনা স্কুলের কাছে আমার অংশটুকু ভাড়া দেয়া ছিল। তারা এখন আর ভাড়া নিচ্ছে না। তাই আমি একটি মাদ্রাসা পরিচালনা করার জন্য আবার ভাড়া দিয়েছি। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য এই বাউন্ডারি করতে হয়েছে। তবে স্কুলে যাতায়াতের জন্য আড়াই ফুটের একটি রাস্তা দেয়াল ভেঙে এখন রেখেছি।

ত্রিশাল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মোঃ আক্তারুজ্জামান জানান, স্কুলের শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয়রা এসেছিল জানতে পেরে আমি এসিল্যান্ডকে তাদের বক্তব্য শুনার জন্য পাঠিয়েছিলাম। মুজিববর্ষের ঘরের কাজে এখন বাইরে আছি। অফিসে আসলে বুঝতে পারবো স্মারকলিপি দিয়েছি কিনা এবং তাদের কি অভিযোগ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!