শেরপুরে মন্ডপের পাশে তৈরি পদ্মা সেতু দেখতে দর্শনার্থীর ভিড়||সত্যবয়ান

শেরপুরে মন্ডপের পাশে তৈরি পদ্মা সেতু দেখতে দর্শনার্থীর ভিড়||সত্যবয়ান

স্টাফ রিপোর্টার||পূজা মণ্ডপের পাশে পুকুরে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর তৈরি করে সকলকে অবাক করে দিয়েছে বাগবাড়ি বয়েজ ক্লাব নামের সংগঠন। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শেরপুর পৌর শহরের বাগবাড়ি বয়েজ ক্লাবের উদ্যোগে বানানো এই ভিন্নধর্মী আয়োজন দেখতে দিনরাত ভীড় করছেন দর্শনার্থীরা।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্যমতে, এ বছর শেরপুর জেলায় ১৫৫টি পূজা মন্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। শেরপুরের প্রতিটি পাড়া মহল্লায় মহাধুমধামে চলছে শারদীয় দুর্গোৎসব। সব মণ্ডপই সাজানো হয়েছে আকর্ষণীয় সাজে। রঙিন আলো আর কারুকাজের কমতি রাখে নি কারিগররা। মহালয়ার পর থেকে পূণ্যার্থীদের প্রার্থনা আর দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখোরিত প্রতিটি মণ্ডপ। বাহারি রঙে ভিন্ন আয়োজনে নিজেদের মণ্ডপ সাজাতে আয়োজকদের মধ্যেও চলছে প্রতিযোগিতা।

ভিন্ন এ আয়োজন শেরপুর পৌর শহরের বাগবাড়ি বয়েজ ক্লাব মণ্ডপে।
আয়োজকরা জানান, প্রাচীন এই মন্দিরে প্রতি বছরই ভিন্ন ভিন্ন চলমান বিষয়ের সাথে মিল রেখে সাজানো হয় মণ্ডপ। বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনার আদলে মণ্ডপ সাজিয়ে আলোচনায় এসেছেন এখানকার কারিগর সনজিত সূত্রধর। এবার দীর্ঘ একমাস প্রচেষ্টায় দিন রাত পরিশ্রম করে তৈরী করা হয়েছে এ স্বপ্নের পদ্মা সেতু। প্রায় ১শ ফিট দীর্ঘ এ সেতু তৈরিতে খরচ হয়েছে ৫০-৬০ হাজার টাকার মত। এ পদ্মা সেতুটি কর্কসিট দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।
কারগির সনজিত সূত্রধর বলেন, আমি প্রথমে ভয় পেয়েছিলাম এটি তৈরি করতে। পরে সাহস করে শুরু করি। এবং কাজ শেষ করে সংগঠনের কর্তৃপক্ষর কাছে বুজিয়ে দিয়েছি। এতে আমি আনন্দিত।

এদিকে ভিন্নধর্মী আয়োজন দেখতে দিনরাত ভীড় করছেন দর্শনার্থীরা। জেলা শহরের বাইরে থেকেও পূণ্যার্থী ও দর্শনার্থী আসছেন এই সেতু দেখতে।
ঋতু পাল বলেন, আমরা আসলে পদ্মা সেতু বাস্তবে দেখি নাই। কিন্তু এবার আমরা পুজোই এ সেতু দেখতে পেরে খুব আনন্দ পাচ্ছি।
রিপন দে বলেন, পুকুরের পানিতে পদ্মা সেতু একটি অবাক করার বিষয়। ফেসবুকে ইতোমধ্যে ছবি ভাইরাল হবার পর সবাই এটি দেখতে আসছেন।
পুজা পাল বলেন, পুজা মন্ডপ গুলি ঘুরতে ঘুরতে এখানে এসে স্বপ্নের পদ্মা সেতু দেখতে পেয়ে খুব ভালো লাগলো।
বাগবাড়ি বয়েজ ক্লাব মন্দিরের সভাপতি বিজয় দে বাবন বলেন, আমাদের এই প্রাচীন মন্দিরে আমরা প্রতি বছরই ভিন্ন কিছুর আয়োজন করে থাকি আমাদের সংগঠন থেকে। আমাদের আসলেও ঐরকম কোন আর্থিক তহবিল নেই। যে বড় ধরনের কিছু করার মত। আমরা সরকারের কাছে সহযোগিতা পেলে সামনের বছর আরও ভালো কিছু উপহার দিবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.